ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে?
ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে?
-
ক
কার
-
খ
চিহ্ন
-
গ
ফলা
-
ঘ
প্রতীক
ব্যঞ্জনধ্বনি প্রকাশের জন্য যেসব বর্ণ ব্যবহার করা হয় সেগুলোই ব্যঞ্জনবর্ণ। বাংলা ভাষার ব্যঞ্জনবর্ণগুলো লেখার সময় কয়েকভাবে লেখা হয়। তখন এগুলোকে বিভিন্ন নামে উল্লেখ করা হয়। নিচে এসব আলোচনা করা হলো।
ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ
ব্যঞ্জনবর্ণ যখন স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়, তখন এর পূর্ণরূপ লেখা হয়। ব্যঞ্জবর্ণের পূর্ণরূপ শব্দের শুরুতে, মাঝে, শেষে- তিন অবস্থানে থাকতে পারে। যেমন-
শব্দের শুরুতে : কলম, খাতা, গগন, ঘর।
শব্দের মাঝে : পাগল, সকল, সজল, সাঁঝ।
শব্দের শেষে : অলক, বাঘ, বৈশাখ, রোগ।
ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্তরূপ
স্বরবর্ণ যেমন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে আকৃতির পরিবর্তন হয়, তেমনি কিছু ব্যঞ্জনবর্ণ কিছু স্বরবর্ণ কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে আকৃতির পরিবর্তন হয় এবং সংক্ষিপ্ত রূপে ব্যবহৃত হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে। যে-ব্যঞ্জনটি যুক্ত হয় তার নাম অনুসারে ফলার নামকরণ হয়। যেমন-
ম-এ য-ফলা : ম্য
ম-এ র-ফলা : ম্র
ম-এ ল-ফলা : ম্ল
ম-এ ব-ফলা : ম্ব।
ফলার রূপ এরকম:
য-ফলা (্য) : ব্যাঙ, ধান্য, সহ্য
ব-ফলা : শ্বাস, বিল্ব, অশ্ব
ম-ফলা : পদ্ম, সম্মান, স্মরণ
র-ফলা (্র): প্রমাণ, শ্রান্ত, ক্ষিপ্র
ন-ফলা : রত্ন, স্বপ্ন, যত্ন
ল-ফলা (ল) : অম্ল, ম্লান, ক্লান্ত।
Related Question
View All-
ক
স্বরবর্ণ
-
খ
ব্যঞ্জনবর্ণ
-
গ
যুক্তবর্ণ
-
ঘ
যুগ্মবর্ণ
-
ক
৩২টি
-
খ
৩৫টি
-
গ
৩৭টি
-
ঘ
৩৯টি
-
ক
৩২টি
-
খ
৩৮টি
-
গ
৩৯টি
-
ঘ
৪০টি
-
ক
i
-
খ
ii
-
গ
i ও ii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হলে
-
খ
অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হলে
-
গ
পরাধীন থাকলে
-
ঘ
কখনো লেয়া হয় না
-
ক
প্রকৃতির
-
খ
রূপের
-
গ
আকৃতির
-
ঘ
বৈশিষ্ট্যের
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন